UFO র আগমনের ঘটনা অবশ্য নতুন কিছু নয়, হাজার বছরেরও পুরনো। বিভিন্ন দেশের একাধিক পুরনো নথি বা পুথিতে এর উল্লেখ পাওয়া গিয়েছে। কেমন দেখতে এই UFO? অধিকাংশ প্রত্যক্ষদর্শীর কাছে UFO একটি গোলাকার চাকতির মতো বস্তু। আকাশে কিছুক্ষণ অবস্থানের পরই অদৃশ্য হয়ে যেতে দেখা যায় তাকে। অজানা এই বস্তুটির রহস্য উদ্ঘাটনে সবচেয়ে বেশি সময় ব্যয় করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

UFO নিয়ে পৃথিবীবাসীর কৌতূহলের কোনও শেষ নেই। আকাশে ভাসমান যে কোনও বস্তুকে যদি বিশেষজ্ঞরা নির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করতে না পারেন, তবে তাকে UFO বা Unidentified Flying Object বলে। উড়ন্ত এই অজানা বস্তুটি এক না একাধিক সে সম্পর্কেও নির্দিষ্ট কোনও তথ্য নেই কারও কাছে। দিন বা রাতের যে কোনও সময়েই হঠাৎ আকাশে ভেসে উঠতে দেখা যায় তাকে। রাশিয়া বা আমেরিকান বিমান বাহিনীর সদস্যেরা বেশ কয়েকবার ধাওয়াও করেছে ওই UFO র পিছনে। কিন্তু চোখের পলকেই মহাশূন্যের অতলে রীতিমতো ভ্যানিশ হতে দেখেছে তারা।
এবার রীতিমতো চাঞ্চল্যকর তথ্য তুলে ধরেছে পেন্টাগন। পেন্টাগনের দাবি, গত ২০ বছরে আকাশে UFO র আগমন বেড়েছে। মার্কিন কংগেসে পেশ করা রিপোর্টে জানানো হয়েছে এই তথ্য। এদের অধিকাংশের অবস্থান ছিল সামরিক ঘাঁটি বা প্রশিক্ষণ শিবিরগুলির উপরে। যদিও আদৌ এগুলি ভিনগ্রহিদের কোনও যান কিনা, সে ব্যাপারেও কোনও তথ্য নেই পেন্টাগনের হাতে। হতে পারে এগুলি শত্রুপক্ষের কোনও সামরিক ড্রোন। UFO সম্পর্কে তদন্তের ভার দেওয়া হয়েছিল নেভাল ইন্টেলিজেন্সের হাতে। ওই সংস্থার ডেপুটি ডিরেক্টর স্কট ব্রে-ও জানিয়েছেন, UFO সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট কোনও ধারণা তাঁরা পাননি।
UFO র আগমনের ঘটনা অবশ্য নতুন কিছু নয়, হাজার বছরেরও পুরনো। বিভিন্ন দেশের একাধিক পুরনো নথি বা পুথিতে এর উল্লেখ পাওয়া গিয়েছে। কেমন দেখতে এই UFO? অধিকাংশ প্রত্যক্ষদর্শীর কাছে UFO একটি গোলাকার চাকতির মতো বস্তু। আকাশে কিছুক্ষণ অবস্থানের পরই অদৃশ্য হয়ে যেতে দেখা যায় তাকে।
অজানা এই বস্তুটির রহস্য উদ্ঘাটনে সবচেয়ে বেশি সময় ব্যয় করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৪৭ সালে প্রথমবারের জন্য দেশটির বাসিন্দারা UFO প্রত্যক্ষ করে। এরপরও বহুবার দেখা গিয়েছে UFO। যদিও তার অধিকাংশই ছিল ভুয়ো। এরপর UFO র রহস্য উন্মোচনে রীতিমতো তদন্ত কমিটি বসায় দেশটির সরকার। ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত চলে সেই তদন্ত। এই দীর্ঘ সময়কালের মধ্যে প্রায় ১২৬১৮টি ঘটনা ঘটতে দেখা গিয়েছে। যার প্রায় ৭০১টি ঘটনার কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
যদিও একাধিক বিশেষজ্ঞ বা জ্যোতির্বিজ্ঞানীর দাবি, এই সুবিশাল মহাকাশে ‘আমরা’ একা নই। বাস করছে ভিনগ্রহিরাও। তারাই মাঝেমধ্যে তাদের উন্নত যানে চড়ে হাজির হচ্ছে পৃথিবীর আকাশে। পৃথিবীবাসীর আচার-আচরণও জেনে নিতে চাইছে তারা এই সুযোগে।