Friday, April 4, 2025

লক্ষ্মীপুজো : আজ কিন্তু জেগে থাকতে হবে সারারাত, কিন্তু কেন?

- Advertisement -

এমনিতেই বাঙালি হিন্দু পরিবারে মহিলা বা পুরুষেরা লক্ষ্মী পাঁচালি যোগে সপ্তাহের প্রতি বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীপুজো করে থাকেন। তবে শরতের শেষ পূর্ণিমায় এই পুজো পুরোহিত সহযোগে হয়ে থাকে। একে ‘কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো’ বলা হয়। এখানে কোজাগরী কথার অর্থ পূর্ণিমা। আশ্বিনের পূর্ণিমা তিথিতে লক্ষ্মীপুজো -র আয়োজন হওয়ায় একে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো বলা হয়।

লক্ষ্মীপুজো
Image by venu n from Pixabay

১৬ ও ১৭ অক্টোবর, এই দুই দিন ধরেই এবছর চলবে লক্ষ্মীপুজো। কারণ সূর্যসিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ী পূর্ণিমা শুরু হচ্ছে ১৬ অক্টোবর বা ২৯ আশ্বিন সন্ধ্যা ৭টা ৪৩ মিনিটে এবং শেষ হচ্ছে ১৭ অক্টোবর বা ৩০ আশ্বিন বিকাল ৫টা ১৮ মিনিটে। আর দৃকসিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ী এই পূর্ণিমা শুরু হচ্ছে ১৬ অক্টোবর বা ৩০ আশ্বিন রাত ৮টা ৪২ মিনিটে এবং শেষ হচ্ছে ১৭ অক্টোবর বা ৩১ আশ্বিন বিকাল ৪টে ৫৭ মিনিটে। অর্থাৎ দুই পঞ্জিকা অনুযায়ী-ই এবছর লক্ষ্মীপুজো দুই দিন ধরে চলবে। যারা পারিবারিক সূত্রে যে পঞ্জিকা অনুসরণ করেন, তারা সেই তিথি অনুযায়ী লক্ষ্মীপুজো -র আয়োজন করতে পারবেন।

হিন্দু ধর্ম শাস্ত্র অনুসারে মা লক্ষ্মী ধন-সম্পদের দেবী। তিনি আবার পালন কর্তা নারায়ণ বা ভগবান বিষ্ণুর অর্ধাঙ্গিনীও। শরতের শেষ পূর্ণিমা বা আশ্বিনের শেষ পূর্ণিমা তিথিতে অর্থাৎ খরিফ ও রবি শস্য চাষের সংযোগ মুহূর্তে তার আরাধনা করা হয়।

এমনিতেই বাঙালি হিন্দু পরিবারে মহিলা বা পুরুষেরা লক্ষ্মী পাঁচালি যোগে সপ্তাহের প্রতি বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীপুজো করে থাকেন। তবে শরতের শেষ পূর্ণিমায় এই পুজো পুরোহিত সহযোগে হয়ে থাকে। একে ‘কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো’ বলা হয়। এখানে কোজাগরী কথার অর্থ পূর্ণিমা। আশ্বিনের পূর্ণিমা তিথিতে লক্ষ্মীপুজো -র আয়োজন হওয়ায় একে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো বলা হয়।

তবে অন্য অর্থে ‘কোজাগরী’ শব্দটি এসেছে ‘কো জাগতী’ বা ‘কে জেগে আছে’ থেকে। হিন্দু বিশ্বাসে লক্ষ্মীপুজো -র রাতে গৃহস্থকে প্রদীপ জ্বালিয়ে জেগে থাকতে বলা হয়েছে। কারণ এদিন মা লক্ষ্মী তার বাহন পেঁচায় চেপে মর্ত্যে নেমে আসে। আর যার ঘরের গৃহস্থকে জেগে থাকতে দেখে, তাকে ধন-সম্পদ দান করে যায়। তাই এদিন গৃহস্থরা পূর্ণিমার রূপালী রাত জাগতে বিভিন্ন ধরণের বিনোদনের আয়োজন করে থাকে।

- Advertisement -

যদিও এবছর সমগ্র বঙ্গদেশ জুড়ে পূর্ণিমার আকাঙ্ক্ষিত গোল চাঁদের দেখা পেতে অনেকটা ভাগ্যের উপর নির্ভর করতে হতে পারে। কারণ মাঝেমধ্যেই বঙ্গদেশের বিভিন্ন প্রান্তে ধেয়ে আসছে বৃষ্টি। সমগ্র আকাশ ছেয়ে উঠছে কালো মেঘে। যদিও মেঘের ফাঁক গলে কখনও সখনও ঝরে পড়ছে চাঁদের রূপালী হাসি।

- Advertisement -

এই রকম আরও

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সাম্প্রতিক খবর